টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টিপস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১

চোয়ালের অস্থিসন্ধির সমস্যা

চোয়ালের অস্থিসন্ধির সমস্যা

টেম্পোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্টের সমস্যার কারণ

● যাদের নিজের অজান্তেই অনিয়ন্ত্রিতভাবে দাঁতে দাঁত ঘষার অভ্যাস আছে, তাদের এ সমস্যা হতে পারে। অনেকে রেগে গেলে, দুশ্চিন্তায় বা ঘুমের মধ্যে দাঁতে দাঁত ঘষে। এতে অস্বাভাবিক চাপে টেম্পোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে। এমন অভ্যাস থাকলে দন্ত বিশেষজ্ঞের পরমার্শ নেওয়া জরুরি। দাঁত দিয়ে পেনসিল বা শক্ত কিছু চিবানোর বদভ্যাস থেকেও জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে।

● ক্যালসিয়াম বা ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে হাড় ক্ষয় হতে পারে। ফলে জয়েন্টও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যাদের হাড়ে বা অস্থিসন্ধিতে ব্যথা বা হাড় ক্ষয় রোগ আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করতে হবে।

● আমরা যখন মুখ বন্ধ করি, তখন ওপরের ও নিচের পাটির দাঁত একটি নির্দিষ্ট জায়গায় মিলিত হয়। এর তারতম্য হলেই নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে। কৃত্রিম দাঁত সংযোজনের সময়ও এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

● যাদের একদিকের দাঁত দিয়েই সব সময় খাবার চিবানোর অভ্যাস অথবা যাদের একদিকের দাঁত নেই, তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে চোয়ালের দুই পাশ থেকেই চিবানোর জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে টেম্পোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।



● দুর্ঘটনায় বা অন্য কোনো কারণে মুখে আঘাত লাগলে এই অস্থিসন্ধিতে সমস্যা হতে পারে।

● যারা দীর্ঘ সময় কান ও কাঁধের মধ্যে ফোন চেপে বাঁকা হয়ে কথা বলে, তাদের এ সমস্যা হতে পারে। গাড়ি বা মোটরসাইকেল চালানোর সময় অনেকেই এভাবে কথা বলেন। দীর্ঘ সময় মাথা ঝুঁকে কম্পিউটারে বা অন্য কোনো কাজ করলেও এই অস্থিসন্ধিতে সমস্যা হতে পারে।

টেম্পোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্টের সমস্যায় অবহেলারও সুযোগ নেই। সমস্যা জটিল হয়ে উঠলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়তে পারে। কাজেই সমস্যার শুরুতেই দ্রুত দন্ত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। প্রথমেই রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করে তা দূর করতে হবে। পাশাপাশি বিশেষ কিছু ব্যায়াম, অভ্যাসের পরিবর্তন, নরম খাবারে অভ্যাস গড়ে তোলা, আঠালো খাবার পরিহার, কিছু ওষুধ ইত্যাদির সমন্বয়ে ধীরে ধীরে অবস্থার পরিবর্তন হয়।

রোদে কেনো যাবেন, কখন যাবেন

রোদে কেনো যাবেন, কখন যাবেন


ত্বকের জন্য কয়েক ধরনের উপকার করে ভিটামিন ডি। রুক্ষ ও প্রাণহীন ত্বক গ্লোয়িং, গ্রোথ ও রিপেয়ার, ত্বকের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো, বয়সের ছাপ দূর করা, ব্রণ কমানো, ফাইন লাইন ও কালো দাগ কমানোর মতো কাজ করে এই ভিটামিন।

শরীরে রোদ লাগা ভালো
শরীরে রোদ লাগা ভালো
ছবি: পেকজেলসডটকম

প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি-র পরিমাণ

প্রতিদিন ভিটামিন ডি নিতে হবে নির্দিষ্ট একটি পরিমাণে। বাড়তি ভিটামিন ডির জন্য বেশি রোদে থাকলে হিতে হবে বিপরীত। ভিটামিন ডি মাপার দুটি পদ্ধতি রয়েছে। একটি মাইক্রোগ্রাম (এমসিজি) ও অন্যটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট (আইইউ)। মেডিসিন ইনস্টিটিউটের খাদ্য ও পুষ্টি বোর্ডের মতে, শিশু ও তরুণদের প্রতিদিন ৬০০ আইইউ বা ১৫  এমসিজি ভিটামিন ডি দরকার।



কখন যাবেন রোদে

দুপুরের ঠিক আগমুহূর্তে রোদে যাওয়ার সঠিক সময়। কারণ এই সময়ে সূর্যের তাপ বেশি থাকে। তাই অল্প সময়েই আপনি পেয়ে যাবে ত্বকের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি। বিভিন্ন গবেষণা বলে, এই সময়টাতে ভিটামিন ডি নেওয়ার জন্য শরীর সব থেকে বেশি উপযোগী থাকে। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মিড ডে-র পরে রোদে যাওয়া আরও বেশি ক্ষতিকর। এতে স্কিন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।

১০ থেকে ৩০ মিনিট রোদে থাকলেই প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাওয়া যায়
১০ থেকে ৩০ মিনিট রোদে থাকলেই প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাওয়া যায়
ছবি: পেকজেলসডটকম

১০ থেকে ৩০ মিনিট রোদে থাকলেই প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাওয়া যায়সঠিক উপায়

রোদে গেলেই প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাওয়া যাবে না। বরং মানতে হবে সঠিক নিয়ম। ১০ থেকে ৩০ মিনিট রোদে থাকলেই প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। এ সময়ে যতটা সম্ভব ছোট হাতার পাতলা কাপড় পরতে হবে, যেন রোদ সরাসরি গায়ে লাগে। মুখে রোদ লাগাতে না চাইলে সূর্যের দিকে পিঠ এলিয়ে দিয়ে বসতে পারেন। ত্বক খুব বেশি স্পর্শকাতর না হলে সানস্ক্রিন ছাড়া কিছু সময় রোদে বসলে ত্বক বেশি ভিটামিন ডি পাবে। এ ছাড়া চাইলে সানগ্লাস ও হ্যাট পরেও রোদে বসা যায়।

রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১

সবার জন্য একটাই সাইজ, ওভারসাইজ’

সবার জন্য একটাই সাইজ, ওভারসাইজ’


ধীরে ধীরে ওভারসাইজড ফ্যাশনের জন্য তৈরি হয় গ্রামার। এখন তো ‘ওভারসাইজড’ ধারণা নিয়ে গ্রীষ্ম, শীত, বসন্তের ফ্যাশন উইকে আলাদা করে র‍্যাম্পও হয়। তারকারা হরহামেশাই ওভারসাইজড পরে বেরিয়ে পড়েন। ভেতরে অনায়াসে বাতাস চলাচল করতে পারে, আরাম আর স্বস্তিদায়ক বলে জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি এতটুকু। ‘সবার একটাই সাইজ, ওভারসাইজ’ স্লোগান নিয়ে এই ফ্যাশনকে জনপ্রিয় করার মিছিলে দলে দলে শামিল হয়েছে তারকা ফ্যাশনিস্তা থেকে আমজনতা—সবাই।

জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ওভারসাইজড’ ফ্যাশন
জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ওভারসাইজড’ ফ্যাশন 
ছবি: ইনস্টাগ্রাম


সিঙ্গাপুরিয়ান ফ্যাশন ব্লগার ইভান ঝ্যাং তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘ইয়োর অ্যাভারেজ জেন্ট’ চ্যানেলে ‘ওভারসাইজড’ পোশাক পরার ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয়ে সতর্ক করেছেন। একনজর চোখ বুলিয়ে নিন সেগুলোতে।

১. স্মল, মিডিয়াম, লার্জ, এক্সট্রা লার্জ, এক্সট্রা এক্সট্রা লার্জ। আপনার জন্য যেটা স্বাভাবিক তার এক বা দুই সাইজ বড় পরবেন। খেয়াল রাখবেন হাতের আঙুলগুলো যেন সবটা ঢাকা না পড়ে। তাহলে সেটা ‘ওভার ওভারসাইজড’। ওভারসাইজে হাতের তালু ঢাকা থাকবে, আঙুল বেরিয়ে থাকবে। টপসের ক্ষেত্রে আপনার হাত ঊরুর যতটা যায়, ততটা হবে। নতুবা মনে হবে, এটা ফ্যাশন নয়, আপনি অন্য কারও জামা পরে চলে এসেছেন!

‘ওভারসাইজড’ শার্টে বোল্ড লুক
‘ওভারসাইজড’ শার্টে বোল্ড লুক 
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

২. একসঙ্গে দুটো ওভারসাইজড পরা যাবে না। টি–শার্ট বা টপস যদি ওভারসাইজড পরেন, তাহলে প্যান্টটা নরমাল হতে হবে। উল্টোটাও হতে পারে। স্বাভাবিক একটা টপ বা টি–শার্টের সঙ্গে ওভারসাইজড প্যান্ট পরলেন। তবে ফ্যাশন নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের উপদেশ, ‘জাস্ট গো ফর অ্যান ওভারসাইজড টপ’।


৩. মনে রাখতে হবে ‘ওভারসাইজড’ কোনো ফরমাল ফ্যাশন না। কেবল ক্যাজুয়াল লুকের জন্য এই ফ্যাশন। ফরমাল পোশাক যেমন শার্ট বা কোট, সালোয়ার কামিজ—এগুলো ওভারসাইজড হলে ভালো দেখায় না।


৪. ওভারসাইজড এ শুকনা শরীরকে আরও শুকনা দেখায়। স্থূল শরীরকে আরও স্থূল দেখায়। হাইট যাদের কম, তাদের হাইট আরও কম দেখায়। তাই অ্যাভারেজ বডিতে ওভারসাইজডের স্বাধীনতা ভোগ করা যায়। নতুবা এক বা দুই সাইজের বেশি নয়।

ওভারসাইজড এ শুকনা শরীরকে আরও শুকনা দেখায়
ওভারসাইজড এ শুকনা শরীরকে আরও শুকনা দেখায়
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

৫. যেকোনো একটা কিছু ওভারসাইজড হলে বাকি সবকিছু সিম্পল, ইজিগোয়িং’ রাখতে হবে। নতুবা সবকিছু ‘অন্য রকম’ হলে ভালো দেখাবে না। যেমন ওভারসাইজড টপ পরলে এর সঙ্গে স্বাভাবিক জুতা বা ঘড়ি পরুন। তাতে ওভারসাইজড ফ্যাশন পুরোপুরি ফুটে উঠবে। নতুবা আপনাকে যে দেখবে তার মনোযোগ বিঘ্নিত হবে। আপনার ওপর থেকে চলে যাবে আপনার পোশাকের ওপর। ফলে সেটা অন্যজনের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। আপনার ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠবে ‘কনফিউজিং’।