Songbad BD 360: সর্বশেষ

সংবাদ শিরোনাম
লোডিং...
ad160
Menu
সর্বশেষ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সর্বশেষ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১

সবার জন্য একটাই সাইজ, ওভারসাইজ’

সবার জন্য একটাই সাইজ, ওভারসাইজ’


ধীরে ধীরে ওভারসাইজড ফ্যাশনের জন্য তৈরি হয় গ্রামার। এখন তো ‘ওভারসাইজড’ ধারণা নিয়ে গ্রীষ্ম, শীত, বসন্তের ফ্যাশন উইকে আলাদা করে র‍্যাম্পও হয়। তারকারা হরহামেশাই ওভারসাইজড পরে বেরিয়ে পড়েন। ভেতরে অনায়াসে বাতাস চলাচল করতে পারে, আরাম আর স্বস্তিদায়ক বলে জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি এতটুকু। ‘সবার একটাই সাইজ, ওভারসাইজ’ স্লোগান নিয়ে এই ফ্যাশনকে জনপ্রিয় করার মিছিলে দলে দলে শামিল হয়েছে তারকা ফ্যাশনিস্তা থেকে আমজনতা—সবাই।

জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ওভারসাইজড’ ফ্যাশন
জনপ্রিয় হচ্ছে ‘ওভারসাইজড’ ফ্যাশন 
ছবি: ইনস্টাগ্রাম


সিঙ্গাপুরিয়ান ফ্যাশন ব্লগার ইভান ঝ্যাং তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘ইয়োর অ্যাভারেজ জেন্ট’ চ্যানেলে ‘ওভারসাইজড’ পোশাক পরার ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয়ে সতর্ক করেছেন। একনজর চোখ বুলিয়ে নিন সেগুলোতে।

১. স্মল, মিডিয়াম, লার্জ, এক্সট্রা লার্জ, এক্সট্রা এক্সট্রা লার্জ। আপনার জন্য যেটা স্বাভাবিক তার এক বা দুই সাইজ বড় পরবেন। খেয়াল রাখবেন হাতের আঙুলগুলো যেন সবটা ঢাকা না পড়ে। তাহলে সেটা ‘ওভার ওভারসাইজড’। ওভারসাইজে হাতের তালু ঢাকা থাকবে, আঙুল বেরিয়ে থাকবে। টপসের ক্ষেত্রে আপনার হাত ঊরুর যতটা যায়, ততটা হবে। নতুবা মনে হবে, এটা ফ্যাশন নয়, আপনি অন্য কারও জামা পরে চলে এসেছেন!

‘ওভারসাইজড’ শার্টে বোল্ড লুক
‘ওভারসাইজড’ শার্টে বোল্ড লুক 
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

২. একসঙ্গে দুটো ওভারসাইজড পরা যাবে না। টি–শার্ট বা টপস যদি ওভারসাইজড পরেন, তাহলে প্যান্টটা নরমাল হতে হবে। উল্টোটাও হতে পারে। স্বাভাবিক একটা টপ বা টি–শার্টের সঙ্গে ওভারসাইজড প্যান্ট পরলেন। তবে ফ্যাশন নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের উপদেশ, ‘জাস্ট গো ফর অ্যান ওভারসাইজড টপ’।


৩. মনে রাখতে হবে ‘ওভারসাইজড’ কোনো ফরমাল ফ্যাশন না। কেবল ক্যাজুয়াল লুকের জন্য এই ফ্যাশন। ফরমাল পোশাক যেমন শার্ট বা কোট, সালোয়ার কামিজ—এগুলো ওভারসাইজড হলে ভালো দেখায় না।


৪. ওভারসাইজড এ শুকনা শরীরকে আরও শুকনা দেখায়। স্থূল শরীরকে আরও স্থূল দেখায়। হাইট যাদের কম, তাদের হাইট আরও কম দেখায়। তাই অ্যাভারেজ বডিতে ওভারসাইজডের স্বাধীনতা ভোগ করা যায়। নতুবা এক বা দুই সাইজের বেশি নয়।

ওভারসাইজড এ শুকনা শরীরকে আরও শুকনা দেখায়
ওভারসাইজড এ শুকনা শরীরকে আরও শুকনা দেখায়
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

৫. যেকোনো একটা কিছু ওভারসাইজড হলে বাকি সবকিছু সিম্পল, ইজিগোয়িং’ রাখতে হবে। নতুবা সবকিছু ‘অন্য রকম’ হলে ভালো দেখাবে না। যেমন ওভারসাইজড টপ পরলে এর সঙ্গে স্বাভাবিক জুতা বা ঘড়ি পরুন। তাতে ওভারসাইজড ফ্যাশন পুরোপুরি ফুটে উঠবে। নতুবা আপনাকে যে দেখবে তার মনোযোগ বিঘ্নিত হবে। আপনার ওপর থেকে চলে যাবে আপনার পোশাকের ওপর। ফলে সেটা অন্যজনের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। আপনার ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠবে ‘কনফিউজিং’।

জাপানের পথখাবার

জাপানের পথখাবার

প্রতিটি দেশের নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি হলো তার পরিচয়। এমনই এক দারুণ ঐতিহ্যবাহী দেশ হলো জাপান। জাপানের প্রগতিশীল শহরগুলো দেখে মনে হয় যেন সুন্দর কোনো আধুনিক যুগের ছবি দেখছি। করোনার উপদ্রবে এখন আমরা সবাই গৃহবন্দী। কিন্তু বাড়িতে বসেই জাপানে ঘুরে এলে কেমন হয়? আজ কথা বলছি জাপানের তিনটি পথখাবার নিয়ে। এর সঙ্গে থাকল জিও ট্রাভেলার ইসাত বিনতে কামালের কিছু মন্ত্রমুগ্ধ করা ছবি।

জাপান হলো এক অত্যন্ত উন্নত দেশ এবং প্রযুক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলতে হয় বলে জাপানিদের জীবনও ভীষণ ব্যস্ততাময়। এ জন্য তাদের পক্ষে বাড়িতে খাবার বানানো সব সময় সম্ভব হয় না। ফলে গড়ে উঠেছে পথখাবারের সংস্কৃতি।

জাপানের পথখাবার

একটি দেশ ও তার মানুষের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে সেখানকার খাবার, অনুষ্ঠান ও রীতি-রেওয়াজ। সেটি পৃথিবীর যে দেশই হোক না কেন, তার নিজস্ব একটি পরিচয় থাকবে। এই একটা কারণে প্রতিটি দেশের এক আলাদা আভিজাত্য আছে।



জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড

জাপানের পথখাবার

জাপানের আরেক খুবই আকর্ষণীয় চিত্র হলো তার লোভনীয় খাবারদাবার। আগেই বলা হয়েছে, জাপানিদের রোজকার জীবন খুবই প্রযুক্তিময়। তাদের কাজের জীবন খুব গতিময় ও ব্যস্ত। তাই বেশির ভাগ সময় বাড়িতে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করতে খুব অসুবিধা হয় জাপানিদের। এখানে তাই বলা হলো কিছু খাবারের কথা, যা সহজেই মেলে জাপানে। খেতেও মজাদার আর দামেও সস্তা।

জাপানের পথখাবার

জাপান দেশটি খুব বৈচিত্র্যময়। নানা প্রান্তে মেলে নানা স্বাদের খাবার। কিন্তু কিছু আছে জনপ্রিয়। এই যেমন ইয়াকিতরি, ডাম্পলিং কিংবা তাকেয়াকি। প্রথমে আসি তাকেয়াকির কথায়। ময়দার গোলাকার মণ্ডের ভেতর ভরা হয় নানা রকমের সামুদ্রিক জীব। অক্টোপাস, স্কুইড ও আরও অনেক কিছু। তাকেয়াকির প্রধান ভিত্তি হলো ওসাকা ঐতিহ্য, তাই এটিকে অনেকেই বলে ‘ট্রু জাপানিজ’।



এরপর আসি ডাম্পলিংয়ে। অনেকেই বলেন, এর উৎপত্তি তিব্বতে। তা সে যা–ই হোক, জাপানের রাস্তায় এর প্রচলন খুবই বেশি। স্বাদ অনুযায়ী এতে মাছ, মাংস কিংবা নানা সবজির মেলবন্ধন ঘটে।

জাপানের পথখাবার

আর স্ট্রিট ফুড বলে ইয়াকিতরির কথা না বললে সেটা অবিচার হবে। চিকেন বা শূকরের মাংসের নানা অংশ দিয়ে সাধারণত বানানো হয় অত্যন্ত সুস্বাদু পদটি।

জাপানের পথখাবার

এই ইয়াকিতরির সসও এক দুর্দান্ত সৃষ্টি। টক, ঝাল ও মিষ্টির সঠিক সমন্বয় রয়েছে এতে। সাধারণত ইয়াকিতরির মাংস কাঠকয়লার ওপর রেখে ঝলসাতে হয়, তাই এতে একটি খুব সুন্দর ধোঁয়ার সৌরভ পাওয়া যায়।

লেখক: ফুড কলামিস্ট, ফুডিটক্স ডট কম

ফিলিপাইনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার

ফিলিপাইনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার


বিবৃতিতে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, বিধ্বস্ত হওয়া সি-১৩০ হারকিউলিস মডেলের পরিবহন উড়োজাহাজটির আরোহীদের বেশির ভাগই সেনাসদস্য। তাঁদের মধ্যে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আহত অবস্থায় আরও ৪০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে পেরেছেন উদ্ধারকারীরা।

এর আগে সকালে ফিলিপাইনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল সিরিলিতো সোবেজানা জানিয়েছিলেন, ৮৫ জন আরোহী নিয়ে আজ সকালে সুলু প্রদেশের জোলো দ্বীপে সামরিক বাহিনীর সি-১৩০ মডেলের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে।

এ সময় উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। সামরিক উড়োজাহাজটি স্থানীয় কাগায়ান দে ওরো থেকে দক্ষিণাঞ্চলের মিন্দানাওয়ে যাচ্ছিল। পরে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উড়োজাহাজটিতে আরোহীর সংখ্যা ৯২।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে উড়োজাহাজটিতে আগুন জ্বলতে ও ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে।

তবে এ দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি। এ বিষয়ে ফিলিপাইনের বিমানবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেনার্দ মারিয়ানো বলেন, ‘দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হবে। তবে আমরা এখন উদ্ধারকাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি।’

শর্তসাপেক্ষে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট রুখতে কোভিশিল্ডের একটি ডোজই যথেষ্ট, জানাল ICMR

শর্তসাপেক্ষে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট রুখতে কোভিশিল্ডের একটি ডোজই যথেষ্ট, জানাল ICMR


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুণের (Pune) সেরাম ইনস্টিটিউটের (Serum Institute) তৈরি কোভিশিল্ডের (Covishield) করোনা প্রতিরোধের ক্ষমতা নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআর। করোনাজয়ীরা কোভিশিল্ডের একটি টিকা নিলেই রুখে দিতে পারবেন করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে। সম্প্রতি নিজেদের গবেষণায় সেই তথ্যই জানতে পেরেছেন আইসিএমআর-এর বিশেষজ্ঞরা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করোনাজয়ীদের ক্ষেত্রে একটি টিকাতেই শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা বেড়ে যাচ্ছে।
আইসিএমআর-এর ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনা আক্রান্ত না হয়ে যাঁরা কোভিশিল্ডের একটি বা দুটি টিকা নিয়েছেন, তাঁদের তুলনায় করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর যাঁরা একবারই টিকা নিয়েছেন, করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেশি। অর্থাৎ করোনাজয়ীদের ক্ষেত্রে কোভিশিল্ডের একটি ডোজেই কাজ হবে। সেক্ষেত্রে তাঁদের নতুন করে করোনা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কম। এমনকী ভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রেও তাঁদের দেহে যথেষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে যাবে।করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট রুখতে হিউমোরাল-সিমিলার ইমিউন রেসপন্স জরুরি। 

প্রসঙ্গত, করোনার এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু। বিশ্বের একাধিক দেশ-সহ ভারতেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্য এই B.1.617.1 ভ্যারিয়েন্ট দায়ী। সেরামের তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকরী, তা জানতেই এই গবেষণাটি করা হয়েছে। ‘Neutralisation of Delta Variant with Sera of Covishield vaccines and Covid-19 Recovered Vaccinated Individuals’ নামে গবেষণাটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আইসিএমআর, পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি, কম্যান্ড হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগ এবং পুণের আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজের বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে আগের তুলনায় দৈনিক সংক্রমণ কমলেও করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে উদ্বিগ্ন দেশবাসী। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, তৃতীয় ঢেউয়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যেতে পারে অক্টোবর-নভেম্বরে। তা সত্ত্বেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিতীয় ঢেউয়ের তুলনায় অনেকটাই কম হবে।

ADVERTঁ